Updates :
Loading...
Showing posts with label Other Jobs. Show all posts
Showing posts with label Other Jobs. Show all posts

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে আরও ১ লাখ ২ হাজার ৬৭৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী নতুন নিয়োগ হচ্ছে


মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের ব্যবস্থা ছাড়াই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এমপিও নীতিমালার খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে সরকার। প্রস্তাবিত খসড়ায় বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষকদের এমফিল-পিএইচডির মতো উচ্চতর শিক্ষার জন্য কোনো প্রণোদনার সুযোগ রাখা হয়নি। অনার্স-মাস্টার্স কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির ব্যবস্থা নেই। এবারও ৯ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিও না দেয়ার তালিকায় রাখা হয়েছে।


তবে বিদ্যমান এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও গণিতসহ বিভিন্ন বিষয়ের জন্য আলাদা পদ সৃষ্টির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সহকারী গ্রন্থাগারিক এবং এমএলএসএস পদ সৃষ্টির প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত আছে। এতে সারা দেশে এমপিওভুক্ত প্রায় ২৮ হাজার প্রতিষ্ঠানে দেড় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর চাকরির সংস্থান হবে।


শনিবার অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদের সভাপতিত্বে প্রস্তাবিত এমপিও নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে অতিরিক্ত সচিব যুগান্তরকে বলেন, নীতিমালার খসড়া তৈরির পর সংশ্লিষ্টদের মত নেয়া হয়েছে। এটি চূড়ান্ত করার জন্য খুব শিগগিরই বৈঠক বসবে।


দেশে বর্তমানে প্রায় ৩৯০টি বেসরকারি কলেজে অনার্স ও মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু আছে। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিষয়ে অনার্স চালু করতে কমপক্ষে ৭ শিক্ষক লাগবে। অনার্স ও মাস্টার্সের জন্য কমপক্ষে ১২ জন লাগবে। এসব শিক্ষকের কাউকেই সরকার এমপিও দেয় না। প্রস্তাবিত নীতিমালাতেও এ ধরনের প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষককে এমপিও’র বাইরে রাখা হয়েছে। ফলে অতীতের মতো আগামীতেও কলেজ থেকে প্রাপ্ত অর্থই তাদের সংসার চালাতে হবে। কঠিন বাস্তবতায় যোগ্য শিক্ষকরা এ ধরনের কলেজ-মাদ্রাসায় চাকরির আগ্রহ হারাবেন। ফলে অধিকাংশ বেসরকারি কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।


দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা বলেছেন, বেসরকারি অনার্স-মাস্টার্স কলেজের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেয়ার ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানই অঙ্গীকারবদ্ধ। ভবিষ্যতে সার্বিক অগ্রগতির জন্য অনার্স-মাস্টার্স কলেজে এমপিও দিতে আমরা অনুরোধ করব। পাশাপাশি শিক্ষার অন্য স্তরেও যেসব শিক্ষক-কর্মচারী এমপিও পান না, সেসব ক্ষেত্রেও এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করব।


রাজধানীর শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজের সহকারী অধ্যাপক বদরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সরকার মানসম্মত শিক্ষা চায়। কিন্তু সরকারি হাইস্কুল আর বেসরকারি হাইস্কুল থেকে মাস্টার্স কলেজ পর্যন্ত শিক্ষকদের উচ্চতর শিক্ষাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। অথচ সরকারি কলেজে এ জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা আছে। আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালায় প্রণোদনার ব্যবস্থা থাকলেও গত বছর তাও উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা মানসম্মত শিক্ষার পীঠে কুঠারাঘাতের শামিল। তিনি মনে করেন, ডিগ্রি স্তরে তৃতীয় শিক্ষক এবং অনার্স-মাস্টার্সে এমপিও দেয়া উচিত। নইলে এসব প্রোগ্রাম ও শিক্ষক নিয়োগ সরকারের বন্ধ করে দেয়া উচিত হবে।


মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক অধ্যাপক এলিয়াছ হোসেন বলেন, উচ্চতর শিক্ষার জন্য কেবল সরকারি কলেজে প্রণোদনা আছে। এ ক্ষেত্রে উচচ্চশিক্ষা স্তরে প্রথম শ্রেণী থাকলে একটি ইনক্রিমেন্ট দেয়া হয়। এমফিলের জন্য ২টি এবং পিএইচডির জন্য ৩টি ইনক্রিমেন্টের ব্যবস্থা আছে।


শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং ডিগ্রি পর্যায়ের মোট ১১ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিও’র জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশে বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৬ হাজার ৯০টি। এসব প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে তিন লাখ ৬০ হাজার ৬৪৮ জন শিক্ষক রয়েছেন। আর কর্মচারী রয়েছেন প্রায় এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৭৪ জন। সব মিলিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় চার লাখ ৬৬ হাজার জন।


অপরদিকে প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, নতুন পদ সৃষ্টির কারণে উল্লিখিত ২৬ হাজার ৯০টি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে আরও ১ লাখ ২ হাজার ৬৭৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী নতুন নিয়োগ করা হবে। ইতিপূর্বে বাংলা, ইংরেজি ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের জন্য নিু মাধ্যমিক স্কুলে ১ জন শিক্ষক নিয়োগ করা যেত। নতুন প্রস্তাবে এ তিন বিষয়ের জন্য তিনজন শিক্ষক নিয়োগের কথা আছে। আবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলে বাংলা, ইংরেজি, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষার জন্য ৩ জন শিক্ষক পাওয়া যেত। এখানে আরও ১ জন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে বাড়তি এ শিক্ষক হবেন ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ের। বিদ্যমান নীতিমালায় ৬টি শর্ত পূরণ করে এমপিও পেতে হয়। এগুলো হল : প্রাপ্যতা, স্বীকৃতি/অধিভুক্তি, জনবল কাঠামো পূরণ, কাম্য শিক্ষার্থী ও ফলাফল, ব্যবস্থাপনা কমিটি। এ ছয়টির মধ্যে এমপিওপ্রত্যাশী প্রতিষ্ঠানকে বর্তমানে ৫০ ভাগ শিক্ষার্থীকে পাস করাতে হয়। এটা ৭০ ভাগ করা হবে।


ইতিপূর্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলে এবং দাখিল ও আলিম পর্যায়ের মাদ্রাসায় বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন ১ জন। তিনিই পদার্থ, রসায়ন, জীববিদ্যা ও উচ্চতর গণিত পড়াতেন। এর ফলে পাঠদানে জটিলতা হতো। নতুন প্রস্তাবে ভৌতবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞানের জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে। গণিত বিষয়ের জন্য আলাদা শিক্ষক দেয়া হবে। উচ্চ মাধ্যমিকে প্রভাষকদের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ২৫ জন করে শিক্ষার্থী থাকতে হয়। প্রস্তাবিত নীতিমালায় বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিল করে ১৫ জন করা হয়েছে।


প্রস্তাবিত খসড়ায়, ইবতেদায়ি সংযুক্ত দাখিল, আলিম ও ফাজিল মাদ্রাসায় বাংলা, ইংরেজি, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষায় ২ জন করে শিক্ষকের জায়গায় ৪ জন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক বিষয়ে ১ জন করে পাবে। সেই হিসাবে ব্যবসায় শিক্ষা চালু না থাকলে এ বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে না। মাধ্যমিক সংযুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখন থেকে জুনিয়র শিক্ষকের পরিবর্তে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে এনটিআরসিএ’র (সরকারি শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ) মাধ্যমে। ৪ জন শিক্ষক দেয়া হবে।


মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে প্রথমবারের মতো শারীরিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং চারু ও কারুকলা বিষয় প্রবর্তন করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ইতিপূর্বে শরীরচর্চা শিক্ষক যারা ছিলেন তারা শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে গণ্য হবেন। আর বাকি দু’বিষয়ের জন্য শিক্ষক দেয়ার প্রস্তাব রয়েছে।


এর বাইরে স্কুল ও মাদ্রাসায় কৃষি এবং গার্হস্থ্য বিষয়ে অভিন্ন না হলেও একই শিক্ষককে পড়াতে হতো। নতুন নীতিমালায় গার্হস্থ্য বিষয়ের জন্য আলাদা শিক্ষকের প্রস্তাব আছে। মাদ্রাসায় দাখিল-আলিমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের জন্য শিক্ষক দেয়া হবে। শিক্ষকের পাশাপাশি দাখিল মাদ্রাসায় ১ জন করে সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার এবং স্কুল-মাদ্রাসায় এমএলএসএস পদ বাড়ানোর প্রস্তাব আছে।


বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ) শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিও প্রদান এবং জনবল কাঠামো সম্পর্কিত নির্দেশিকা শীর্ষক এ নীতিমালা প্রথমে ১৯৯৫ সালে প্রণীত হয়। ২০১০ ও ২০১৩ সালে এটি দু’দফায় সংশোধিত হয়েছে।

১৩ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার নোটিশ সহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য জেনে নিন


প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
প্রার্থীদের হার্ড কপি জমাদান
প্রসঙ্গে অনেকেই জানার জন্য বার বার
প্রশ্ন করতেছেন।
তাদের জন্য।
• প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
প্রার্থীদের এসএমএস-এর মাধ্যমে হার্ড
কপি পাঠানোর তারিখ ও সময়
জানানো হবে।
• নির্ধারিত তারিখ ও সময়ের মধ্যে
নিন্মের ঠিকানায় হার্ড কপি ডাক
অথবা কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠাতে
হবে।
• খামের ওপর ‘ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন
পরীক্ষার আবেদনপত্র’ লিখতে হবে।
প্রাপক,
জিপিও বক্স নম্বর-১০৩,
ঢাকা-১০০০
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহঃ
• ডাউনলোডকৃত আবেদন কপি।
• শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র।স্নাতক
(পাস বা সম্মান) পর্যায়ের নম্বরপত্র।
• নাগরিকত্ব সনদ।
• জাতীয় পরিচয়পত্র।
• প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের প্রশিক্ষণ সনদ।
• সহকারী শিক্ষক পদে
আবেদনকারীদের অনলাইনে আবেদনের
সময় উল্লিখিত ঐচ্ছিক বিষয়ের সপক্ষে
প্রমাণ হিসেবে স্নাতক পর্যায়ের
প্রবেশপত্র।

লিখিত পরীক্ষার পদ্ধতিঃ

যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য
প্রার্থীরা লিখিত পরীক্ষায় অংশ
নিতে পারবে । আবেদনের সময়
প্রার্থীর নির্বাচিত ঐচ্ছিক বিষয়ে
১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। সময় ৩
ঘণ্টা। লিখিত পরীক্ষায়ও পাস নম্বর ৪০।
প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার
সিলেবাস পাওয়া যাবে
ওয়েবসাইটে

লিখিত পরীক্ষার সময়সূচীঃ


স্কুল ও স্কুল ২ : ১২-০৮-২০১৬ (শুক্রবার) সময়ঃ

সকাল ০৯ টা – দুপুর ১২ টা।

কলেজঃ ১৩-০৮-২০১৬ (শনিবার) সময়ঃ

সকাল ০৯ টা – দুপুর ১২ টা।

লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্রসমূহঃ

খুলনা, রাজশাহী, ঢাকা, রংপুর,

চট্রগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ

মৌখিক পরীক্ষার পদ্ধতিঃ

নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকা
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা
মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে
পারবেন। মৌখিক পরীক্ষার জন্য
নির্বাচিত প্রার্থীদের এসএমএসের
মাধ্যমে সময় জানিয়ে দেওয়া হবে।
নির্ধারিত তারিখে সঙ্গে আনতে
হবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। লিখিত ও
মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের
ভিত্তিতে তৈরি করা হবে উপজেলা,
জেলা ও জাতীয় মেধাতালিকা।

চাকরির জন্য কম্পিউটারের যে মৌলিক বিষয়গুলো জানা অাবশ্যক


বেশির ভাগ অফিসের কাজেই এখন প্রচলিত খাতা-কলমের বদলে কম্পিউটারের ব্যবহার অনেক বেশি। কারণ আগামীর বিশ্ব ভার্চুয়াল কাজের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। অটোমেশনের এই যুগে এসে তাই কম্পিউটারের ‘অ আ ক খ’ না জানলে চাকরি পেলেও তাতে কত দিন টিকে থাকতে পারবেন, তা বলা মুশকিল।


সব ধরনের চাকরির ক্ষেত্রেই কম্পিউটার বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান থাকাটা এখন সবার জন্য আবশ্যক হয়ে পড়েছে। এটা না থাকলে এখন ভালো ভালো ডিগ্রি নিয়েও চাকরি পাওয়া কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কম্পিউটারের মৌলিক কাজগুলো না জানলে বেশির ভাগ চাকরিতেই আপনি আবেদন করতে পারবেন না। ফলে কম্পিউটারে যাদের এসব সাধারণ বিষয়ে দক্ষতা নেই, তারা এখন থেকেই শুরু করতে পারেন।


চাকরির আবেদন করা শুধু নয়, যারা এখন চাকরিতে রয়েছেন তাদের জন্যও কম্পিউটারের এসব মৌলিক বিষয় জানা খুব দরকার। কেননা কম্পিউটারে মৌলিক দক্ষতা আপনার অফিসের কাজ অনেক সহজ করে দেয়। অটোমেশনের এই যুগে সব অফিসেই এখন চিরাচরিত খাতাপত্রের বদলে কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণের চর্চা শুরু হয়েছে। আপনি এসব কাজে পারদর্শী না হলে চাকরিদাতা নিশ্চয়ই আপনার বদলে অন্য কাউকে খুঁজে নিতে আগ্রহী হবেন। আবার আপনি যদি কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের কাজে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে প্রতিষ্ঠান আপনার ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে, যা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। কম্পিউটারের এসব কাজ কেমন করে শিখবেন, আপনার দ্বারা কতটুকু সম্ভব, সেসব বিষয়ে আপনার মধ্যে নিশ্চয়ই দ্বিধা কাজ করতে পারে। এসব ভাবনা দূর করুন। কেননা শুরু না করতে পারলে আসলে কোনো কিছুই সম্ভব নয়।


তাই আজ থেকেই বসে পড়ুন বেসিক কম্পিউটার শেখায়। যেকোনো অফিসে কাজ করতে কম্পিউটারের খুব বেশি কাজ আপনাকে জানতে হবে না। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল পাঠানো এবং ডাউনলোড করা এগুলোই প্রাথমিকভাবে আপনাকে অনেকটাই যোগ্য করে তুলবে। সব ধরনের চাকরিতে কী ধরনের কম্পিউটার জ্ঞান জানা থাকা প্রয়োজন তা নিয়ে আজকের আয়োজন।


মাইক্রোসফট ওয়ার্ড

আপনার চাকরির আবেদনপত্র থেকে শুরু করে লেখালেখির সব কাজই সম্পন্ন করা হয় মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে। ওয়ার্ড প্রসেসিং এই প্রোগ্রামে অফিসের প্রায় সব ধরনের ডকুমেন্ট আপনি তৈরি করতে পারবেন। কোনো লেখাকে ফরম্যাট করা, লেখার মধ্যে টেবিল তৈরি করা, বিভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করে লেখাকে সুন্দর করে তোলা, লেখার মধ্যে ডিজাইন করা এমন সব কাজই আপনি সহজে করতে পারবেন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে। বর্তমানে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই যেখানে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ব্যবহার হয় না।

মাইক্রোসফট এক্সেল

বিভিন্ন ধরনের ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল অপরিহার্য। সাধারণ হিসাব-নিকাশ থেকে শুরু করে অ্যাকাউন্টের অনেক কাজের জন্যও নির্ভর করতে পারেন এক্সেলের ওপর। প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক রিপোর্ট তৈরি থেকে শুরু করে বেতন শিট, প্রতিদিনের খরচের হিসাব রাখার মতো কাজগুলোও এক্সেলে সহজে করা যায়। বিভিন্ন ডাটা সহজে বুঝার জন্য এক্সেল থেকে নানা ধরনের চার্ট বা ডায়াগ্রামও তৈরি করার সুযোগ রয়েছে।




মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট

এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে সহজেই যেকোনো ধরনের প্রেজেন্টেশন তৈরি করা যায়। আপনি আপনার বসকে নতুন একটি প্রজেক্ট আইডিয়া দেখাতে চান। সেটার জন্য পাওয়ার পয়েন্ট হতে পারে আদর্শ একটি প্ল্যাটফর্ম। পাওয়ার পয়েন্টে আপনার আইডিয়াগুলোকে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন, ছবি, চার্ট, ডায়াগ্রাম ও টেক্সটের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারবেন। প্রজেক্টের প্রতিটি বিষয়ের জন্য এতে আপনি তৈরি করতে পারবেন আলাদা আলাদা স্লাইড। এই স্লাইডগুলো সঠিকভাবে ডিজাইন করতে পারলে আপনার প্রজেক্ট অন্য কাউকে বুঝানো আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইডে অডিও এবং ভিডিও যুক্ত করার সুবিধাও রয়েছে। তাই নানা ধরনের মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট দিয়ে ডিজাইন করতে পারবেন চমৎকার সব স্লাইড।




ইন্টারনেট ব্রাউজিং

আপনার অফিসের দৈনন্দিন কাজের জন্য ইন্টারনেট প্রয়োজনীয় একটি উপদান। ইন্টারনেট ব্রাউজিং ছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর এই বিশ্বে তাল মিলিয়ে চলা মুশকিল। তরুণেরা অবশ্য স্মার্টফোনের কল্যাণে চলতি পথেও ইন্টারনেটের সাথে সার্বক্ষণিক যুক্ত থাকে। ইন্টারনেট আসলে তথ্যের এক বিশাল ভাণ্ডার। প্রয়োজন কেবল এখান থেকে সঠিকভাবে সঠিক তথ্যটি খুঁজে বের করা। নতুন নতুন আইডিয়ার জন্যও ইন্টারনেট হতে পারে আপনার সহায়। এ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ে নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হবে।




ইমেইল

চিঠিপত্রের চল এখন আর নেই। অফিসের মধ্যে তো বটেই, অফিসের বাইরেও যে কারো সাথে যোগাযোগের জন্য এখনকার সময়ের স্মার্ট পদ্ধতি হলো ইমেইল। তাৎক্ষণিকভাবে ইমেইল আপনার বার্তাটি পাঠিয়ে দেবে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে। অফিসের নোটিশও এখন ইমেইলের মাধ্যমে সার্কুলেট করা হয়ে থাকে। ইয়াহু মেইল, জিমেইলের মতো ফ্রি ইমেইল সেবাতে তাই আপনার অ্যাকাউন্ট থাকা উচিত। আর অফিসের নিজস্ব ডোমেইনে ইমেইলও প্রদান করা হয় অনেক জায়গায়।




শিখবেন কোথায়

যদি খোঁজ নিয়ে দেখেন তাহলে দেখবেন যে আপনারই আশপাশে অসংখ্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আপনার কোনো বন্ধুও হয়তো বিষয়গুলোতে অত্যন্ত দক্ষ। তার শরণাপন্নও হতে পারেন। এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে অবশ্য খুব বেশি টাকাও খরচ হয় না। এগুলোর প্রতিটি বিষয়ে অবশ্য বইও পাওয়া যায় বাজারে। সেগুলো থেকে নিজে নিজেও শিখে নিতে পারেন। ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারলে সহজেই ইউটিউব ও খান একাডেমির মতো সাইটে প্রবেশ করে কম্পিউটারের বিভিন্ন বিষয় রপ্ত করার জন্য প্রচুর টিউটোরিয়াল পাবেন।

#collected

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব বোনাস


সারাদেশে প্রায় ৯৫ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেসরকারি এমপিওভুক্ত। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫ লাখেরও বেশী শিক্ষক শিক্ষকতার মহান পেশায় জড়িত।

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী কর্মকর্তারা এমনকি সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকগণ যেখানে বেতন স্কেলের শতভাগ উৎসব বোনাস পেয়ে থাকেন সেখানে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকগণ পেয়ে থাকেন মাত্র স্কেলের ২৫%।

এটা একধরনের বৈষম্য ছাড়া আর কিছুই নয়।

মুসলমানদের বছরের দুটো ঈদ, হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা এই উৎসবগুলো পালন করা এদেশের মানুষের ঐতিহ্য।

পরিবারের সব সদস্যদের অংশগ্রহনে এই উৎসবগুলো হয়ে উঠে অত্যন্ত প্রানবন্ত। পরিবারের সবার সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এই উৎসবগুলোর খরচ এই বাজারে অনেক বেশী। সরকার থেকে যা দেয়া হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এমপিওভুক্ত সকল শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ উৎসব বোনাস প্রদান করতে পারেন। যেটা অত্যন্ত সময়পোযুগী সিদ্বান্ত হবে বলে মনে করি।

অতএব আমরা বর্তমান শিক্ষক বান্ধব সরকারের নিকট আকুল আবেদন করছি- এই বলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বেতন স্কেলের শতভাগ উৎসব বোনাস প্রদান করে শিক্ষকতার মহান পেশায় নিয়োজিত বেসরকারি শিক্ষকদের অধিকার সুরক্ষিত করবেন।

লেখক: সৈয়দ শাহাদাত হোসাইন

সহকারী অধ্যাপক,

বাকলিয়া শহিদ এনএমএমজে ডিগ্রি কলেজ, চট্টগ্রাম।

অবশেষে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে


বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। সোমবার (৬ জুন) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এর মাধ্যমেই ৭ মাস ধরে বন্ধ থাকা এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া পুণরায় চালু হচ্ছে।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে শূন্য পদগুলোর জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাহিদা পেশ করতে হবে নিবন্ধন করতপক্ষের কাছে। এছাড়াও আগ্রহী প্রার্থীদের ২৮ জুলাই এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট পদে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।


গতবছর সরকার দেশের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের জন্য মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই কারার দায়িত্ব বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যায়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) প্রদান করে। এ কার্যক্রম শুরুর পূর্বশর্ত হিসেবে এনটিআরসিএ’র পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।


যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে; সে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে শূন্য শিক্ষক নিয়োগ করতে হলে এখন থেকে এনটিআরসিএ’র নিকট আনলাইনে চাহিদা পেশ করতে হবে।


গত বুধবার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান, বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় পুরনো নিবন্ধনধারীরাও যাতে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান সে ব্যবস্থা রাখা হবে।


শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ২৮ হাজার ৩৮৩টি। এর বাইরেও কয়েক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে।


যাঁরা নিয়োগের অপেক্ষায়: এ পর্যন্ত ১২টি নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে ছয় লাখ প্রার্থী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও তাদের মধ্যে ৬৪ হাজার ৩২২ জন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। নতুন নিয়ম অনুসারে নিবন্ধন সনদের মেয়াদ তিন বছর করা হয়েছে। নিয়োগের পদ্ধতি বদলে যাওয়ায় পুরনো নিবন্ধনধারীরা দোদুল্যমানতায়।



গত বছরের ২২ অক্টোবর এসআরও জারির মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে। ফলে অধিকাংশ সংসদ সদস্যরা প্রথমদিন সংসদে হইচই ও বিরোধীতা করলেও উচ্চমহলে নির্দেশে চুপসে গেছেন পরবর্তীতে।


অধিকাংশ ক্ষেত্রে ম্যানেজিং কমিটিতে স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু বেহুদা নেতা-কর্মীরা ঢুকে পড়েছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছেন অনেকে। টাকার বিনিময়ে অযোগ্য লোক শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছিল গত ১৫ বছর ধরে। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে নিবন্ধন পরীক্ষা শুরুর পর থেকে গুণগত মান কিছুটা হলেও নিশ্চিত হলেও নিয়োগে টাকা লেনদেন দিনদিন বেড়েই চলছিল


সরকার একটা উদ্যোগ নিয়েছেন নিয়োগে স্বচ্ছতা আনয়ন ও গুণগত মানের উন্নতিকল্পে। সারাদেশের মানুষ এ পদক্ষেপে যারপরনাই খুশি হয়ে স্বাগতম জানিয়েছেন।

এবার শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন জটিলতা


জাতীয়করণকৃত রেজিস্ট্রার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য পদে সহকারী শিক্ষকদের (প্যানেল শিক্ষক) নিয়োগ দিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রথমবার গত ১৮ মে রেজিস্ট্রার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও বর্তমানে সেই রেজিস্ট্রার্ড স্কুল না থাকায় জটিলতা তৈরি হয়। এরপর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর মন্ত্রণালয়ের শরণাপন্ন হয়।

পরবর্তীতে গত ২ জুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি স্পষ্ট করে চিঠি পাঠায়। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সকল রেজিস্ট্রার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (সদ্য জাতীয়করণকৃত) শিক্ষকদের শূন্য পদে নিয়োগ সম্পন্ন করার জন্য অনুমোদন প্রদান করা হলো’।

বাংলাদেশ প্রাথমিক প্যানেল শিক্ষক ঐক্যজোটের সভাপতি রবিউল ইসলাম বলেন, সদ্য জাতীয়করণকৃত স্কুলের কোন পদে নিয়োগ দেওয়া হবে তা উল্লেখ না করায় জটিলতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্যানেল শিক্ষকদের সমন্বয়কারী রবিউল ইসলাম আরও বলেন, সদ্য জাতীয়করণকৃত ২২ হাজার ৮৮৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম গ্রেডের পদে একজন এবং আগের সরকারি বিদ্যালয়ে প্রায় ৭ হাজার শূন্য পদে নিয়োগ দিলে জটিলতা কেটে যাবে।




প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর জানায়, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে কোন শূন্য পদে তারা নিয়োগ পাবেন তা চূড়ান্ত হয়নি। শিগগিরই বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে।

ভূক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরি (নিয়োগ, পদোন্নতি, শৃঙ্খলা ও কল্যাণ) নীতিমালা-২০০৯ অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০১০ সালের ২১ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।



বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শূন্যপদের বিপরীতে নিয়োগের জন্য ৪২ হাজার ৬১১ জনের একটি প্যানেল প্রস্তুত করা হয়। এ প্যানেল থেকে এরই মধ্যে ১০ হাজার ৫১৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাকিদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ঝুলে থাকার মধ্যে তা নিয়ে দীর্ঘ আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চালিয়ে যান প্রার্থীরা।

পরে এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। উচ্চ আদালত রিট পিটিশন ও রিভিউ পিটিশন খারিজ করে নীতিমালা তৈরি করে নিয়োগ দিতে বলায় নিয়োগের উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়।


‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১০’ এ ৪২ হাজার ৬১১ জনের মেধাক্রম তালিকা ২০১২ সালের ৮ এপ্রিল প্রকাশ করা হয়। এরপর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের ঘোষণা দেওয়ার পর সে প্যানেল থেকে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ হয়ে যায়। এখন সেই জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পাবেন তারা।


প্যানেল শিক্ষক ঐক্যজোটের সভাপতি রবিউল ইসলাম বলেন, এসব পদে প্রায় ২৫-২৮ হাজার প্রার্থী রয়েছেন।


এর আগে আইনি লড়াইয়ে জেতা ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বাংলানিউজ।

অবশেষে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের জন্য গণ বিজ্ঞপ্তি


বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে শিগগিরই। এর মাধ্যমেই ৭ মাস

যাবত বন্ধ থাকা এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া পুণরায় চালু হবে।

সাংবাদিকদের এসব তথ্য গত বুধবার জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

এ সময় মন্ত্রী সাংবাদিকদের আরো জানান, বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় পুরনো
নিবন্ধনধারীরাও যাতে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান সে ব্যবস্থা রাখা হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের ঠিক আগে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের
চেয়ারম্যান এস এস আজহারসহ কয়েকজন সভাকক্ষেে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করেন বলে
জানা যায়।
এক প্রশ্নের জবাবে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা মিডিয়াকে বলেন, গণবিজ্ঞপ্তির
খসড়া তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ওয়েবসাইটে প্রকাশ
করবে মন্ত্রণালয়। আবেদনের ফরমও তৈরি করে দেয়া হয়েছে।
খসড়ার কপি ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যম কে দেওয়া হয়েছে , চূড়ান্ত হলেই প্রকাশ করা হবে।

বুধবারে মন্ত্রীর দেওয়া এই বক্তব্যের সুত্র ধরে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা যুক্ত আছেন
তাদের বরাত দিয়ে প্রাপ্ত সুত্র বলছেন ইতোমধ্যে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষ হতে চলেছে এবং

আগামী সপ্তাহে এটা প্রকাশ করা হতে পারে বলে সংশিষ্টরা বলছেন ।
কোনভাবেই এটা পেছানোর সুযোগ নেই।

অপর এক কর্মকর্তা, ৫ম থেকে ১১তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মেধা তালিকা তৈরি
  1. করে রাখা আছে। উপরের নির্দেশ পেলেই প্রকাশ করবো। নতুন নিয়মে কীভাবে পুরনো
নিবন্ধনধারীদের নিয়োগের ব্যবস্থা হবে তা স্পষ্ট করে বলতে পারেননি ওই কর্মকর্তা।

শিক্ষক নিয়োগে শুধু মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের জন্য নিয়োগের সুপারিশ


প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের জন্য পৃথকভাবে বিজ্ঞপ্তি প্রদানের সুপারিশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি/নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করারও সুপারিশ করে।

মঙ্গলবার (২৪ মে) মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ২৬তম বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মোঃ মোতাহার হোসেন গণমাধ্যম কে এ খবর জানিয়েছেন। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মোতাহের হোসেন।

কমিটির সদস্য প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, সামশুল হক চৌধুরী এবং উম্মে রাজিয়া কাজল বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ আমন্ত্রণে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: হুমায়ূন খালিদ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে পুরাতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং নতুন জাতীয়করণকৃত স্কুলের শিক্ষার মানে সমতা আনয়ন এবং শিক্ষক সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে জনস্বার্থে শিক্ষকদের আন্তঃবদলির কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করারও সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে সারা দেশের সকল উপজেলাকে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করে প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া গতিশীল করার সুপারিশ করা হয়। তাছাড়া, প্রথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষাদানের মান মানসম্মত না হলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্যত্র বদলির সুপারিশ করা হয়।

কমিটি নব-নিয়োগকৃত শিক্ষকদেরকে যেসকল বিদ্যালয়ে শিক্ষকসল্পতা বেশী সেসকল বিদ্যালয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিক্ষক পদায়নের জোর সুপারিশ করে। তাছাড়া, প্রথমিক শিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অধিকতর যতœবান হওয়ার সুপারিশ করে।

বৈঠকে মৌলিক স্বাক্ষরতাদান সম্পর্কিত ৪৫২ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় শিক্ষিত বেকার, প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সমন্বয়ে বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়। তাছাড়া, গণশিক্ষা কার্যক্রম বেগবান করার সুপারিশ করা হয়।
কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি বছরের এপ্রিলে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার কথা ছিলো,এই সময় ইতোমধ্যে প্রায় দুইমাস অতিক্রান্ত হয়েছে নতুন নিয়োগ কিভাবে হবে সেই ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত আজকেও হয়নি,যদি বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী সহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলেছেন এটিও পরীক্ষায় যারা নিয়োগ বঞ্চিত হবেন এবং বিসিএস নন ক্যাডারের যারা নিয়োগ পাবেনা তাদের দিয়ে কিছু শূণ্য স্থান পূরণ করা হবে,সেই হিসেবে নতুন নিয়োগের সম্ভাবনা খুবই কম দেখছেন আবেদন প্রত্যাশীরা।
পোষ্টটি ভালো লাগলে নিচের শেয়ার বাটন থেকে শেয়ার করুন।

এবার কৃষি মন্ত্রণালয়ে ৬৫ টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি


এবার কৃষি মন্ত্রণালয়ে ৬৫ টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

Company -Organization – Bangladesh Agriculture Development Corporation (Under Agriculture Ministry)

Post- 65 But May Be increase or less( Deputy Assistant Director)

Experience -N/A

Educational Background – Please Se The Attachment

Apply System – Below The Circular So plz See The Attachment

Last Date – Below The Circular

Job Source: The daily Star 21 My 2016


১৩ তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফলাফল এবং লিখিত পরীক্ষা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য


ফলাফল যা-ই হোক শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার খাতা নতুন করে মূল্যায়ন করানো অথবা নম্বর গণনা করানো বা অন্য কোনোভাবে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। কর্তৃপক্ষের দেয়া ফলাফলই মেনে নিতে হবে পরীক্ষার্থীদেরকে।

এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল চ্যালেঞ্জ করার আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট বিষয় উল্লেখ করতে হয়। শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ শুধু সংশ্লিষ্ট খাতায় পরীক্ষক কর্তৃক দেয়া নম্বর আরেকবার গণনা করে দেখেন।

কোনো খাতা নতুন করে মূল্যায়ন হয় না। কিন্তু শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ফল যা-ই হোক না কেন ফল চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, খাতার দেয়া নম্বর নতুন করো গণনা করানো বা দেখা যাবে না। ফল প্রকাশে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের একাধিক কর্মকর্তা এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

সম্পূর্ণ নতুন বিধি অনুযায়ী এয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৬ লাখের বেশি পরীক্ষা বসেছেন বলে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে। গত ১৩ মে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ছে,এই মাসের শেষের দিকে প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশের কথা থাকলেও বিভিন্ন কারনে তা হচ্ছে না তবে সুত্র জানাচ্ছেন আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে এবং লিখিত পরীক্ষা পুর্বের দেওয়া সময় অনুযায়ী হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম সেক্ষেত্রে এক থেকে দুই সপ্তাহ পেছাতে পারে । এদিকে অনেক কর্মকর্তা বলছেন যেহেতু পুর্ববর্তী সনদধারীদের নিয়োগের ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি সেহেতু সবকিছুতেই তাড়াহুড়ো করা ঠিক হবে না,তবে সবকিছুতেই যে জটিলতা আছে সেকথা মানতে নারাজ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই কর্মকর্তা।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষই সহকারি শিক্ষক ও প্রভাষকসহ এন্ট্রি লেভেলে শূন্যপদে নিয়োগের জন্য প্রার্থী নির্বাচন করে দেবে। স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা কমিটি শুধু নিয়োগপত্র দেবে। ব্যবস্থাপনা কমিটির হাতে নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া বা প্রার্থী পছন্দের কোনো ক্ষমতা নেই।

এদিকে পুর্ববর্তী নিবন্ধনধারীদের নিয়োগের ব্যাপারে বিভিন্ন সময় অনেক কথা বলা হলেও বাস্তবে তার ফলাফল কার্যত শুন্য । নিবন্ধন সনদ ধারীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া কবে নাগাদ শুরু হবে এমন প্রশ্নের জবাবে একাধিক কর্মকর্তা কোন সদুত্তর দিতে পারেনি,সবাই একই কথা বলছেন দ্রুত সিদ্ধান্ত আসবে এবং বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হবে ।

ফ্রি তে Flexiload নিয়ে নিন আপনার যে কোন সিমে শুধু মাত্র Android ব্যাবহার কারীদের জন্য


আজ আপনাদের জন্য এমন এক অ্যাপ নিয়ে এসেছি যা দিয়ে আপনি আনলিমিটেড ফ্রি flexiload নিতে পারবেন।এই অ্যাপ দিয়ে আয় করা এত সহজ যে কেউ পারবে।আপনি ও পারবেন আমি যদি পারি আপনি কেন পারবেন না।









































Play store Download Link
App Name: Casho
App Size: 7Mb

অ্যাপ টি ডাউনলোড হয়ে গেলে open করুন।তারপর Register এ ক্লিক করুন।
*আপনার email,name, password দিয়ে Register করুন।
*রেজিস্ট্রেশন করার পর অ্যাপ টি ওপেন হবে  এবার দেখুন referrals লিখা আছে ওটাই ক্লিক করুন,তারপর দেখুন Enter Referral coad লিখা আছে ওখানে এই AXRXNQ2 কোড টা দিয়ে submit এ ক্লিক করুন।  
* AXRXNQ2
এই কোড টা দিলে আপনি ৫০ ক্রেডিট ফ্রি পাবেন।→এবার offer এ ক্লিক করুন অনেক গুলা অ্যাপ আছে প্রত্যেক অ্যাপ ডাউনলোড এর জন্য আপনারা ১০০-৫০০ ক্রেডিট পাবেন যা অনেক বেশি।
→তারপর প্রতিদিন ফ্রি reward ও পাবেন।এইভাবে আপনি অনেক ইনকাম করতে পারবেন।আপনি চাইলে রেফার করে ও ইনকাম করতে পারেন।
→১০০০ক্রেডিট হলে আপনি cashout করতে পারবেন।তাছাড়া রেফারেল ইনকাম তো আছেই।
ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

আর কোনো প্রকার সমস্যা হলে ফেসবুকে আমাকে জানাতে পারেন।

১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন


১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। এই পরীক্ষা এখন হবে আগামী ১৩ মে। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল ৭ মে। তবে স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা ৬ মে যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। ৭ মে কয়েকটি জেলায় ইউপি নির্বাচন হবে।

সম্প্রতি এ বিষয়ে  একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হলে পরীক্ষার নতুন তারিখ ঠিক করা হয় বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে সারাদেশে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার এনটিআরসিএ-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এই পরীক্ষার ভিত্তিতেই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডে অনেকগুলো পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি


কোম্পানি/প্রতিষ্ঠানঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড
পদঃ সার্কুলার দেখুন
বেতনঃসার্কুলার দেখুন
যোগ্যতাঃসার্কুলার দেখুন
আবেদনের সময়সীমাঃসার্কুলার দেখুন
সুত্রঃ যুগান্তর






৭২ হাজার টাকা বেতনে বিনা অভিজ্ঞতায় ব্রিটিশ দূতাবাসে নিয়োগ



Name: British High Commission
Job Title: Migration Delivery Assistant
Job Type: Full Time
Job Category: Others
Deadline: 04 May,2016
Educational Qualification:
Please see the job requirements.

Experience:
Please see the job requirements.
Requirement:
Key Requirements:
The successful candidate will be someone who:
  • Has excellent interpersonal, persuasive and IT skills;
  • Has excellent oral and written English skills;
  • Has the ability to be proactive and self motivated;
  • Maintains and develops effective working relationships;
  • Is attentive to detail and to the quality of his/her work;
  • Has the ability to operate independently without close supervision;
  • Works flexibly and can adjust priorities to meet changing demands

For further details regarding the job specification and how to apply, please visit the following link:
Instruction :
We will accept only online applications. The last date for application is4th May 2016.
For further details regarding the job specification and how to apply, please visit the following link:
Applicants who do not have the required qualification and experience should kindly abstain from applying, as their applications will not be considered.
  • Only shortlisted candidates will be contacted and no telephone enquires will be dealt with.
  • The appointment will be subject to Police Verification and other checks including references, educational and professional.

We welcome all applications irrespective of age, race, colour, gender, disability, sexual orientation, religion, belief or creed. We are also open to applications from people who want to work flexibly.
Job Detail:
The British High Commission is seeking a Migration Delivery Assistant to carry out the UK’s migration objectives in Bangladesh. The primary focus of this activity will be on increasing the number of returns from the UK to Bangladesh, conducting field visits and overseeing projects in support of migration objectives. The role is based in Dhaka but the officer will be expected to travel to Sylhet on a monthly basis for approximately a week at a time, working independently to conduct verifications/family tracings/develop and take forward investigations. The MDA as a representative of Her Majesty’s Government will ensure that they act with due diligence and professionalism at all times, treating individuals they encounter with respect and courtesy.

responsibilities include:
Field visits: You will be responsible for investigating UK referrals originating from the Home Office, Police; Crime and Financial Investigations teams; etc
Project work: You will be responsible for running projects which support developing capacity within Bangladesh in the area of migration. You will be required to work with a host of key interlocutors.
Operational Support: You will be expected to provide ad hoc support to assist the delivery of Immigration Enforcement objectives concerning organised immigration crime and decision quality.
source: nayadigantajobs

এবার সরকারি হাইস্কুলে শিক্ষক নিয়োগে নতুন নির্দেশনা


সংকট দূর করতে এবার বিসিএস উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ প্রস্তাব পাঠানো হয়। মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, মাউশির প্রস্তাব পাওয়ার পর বিভিন্ন বিষয়ে ‘কোয়েরি’ (তথ্যানুসন্ধান) এবং নিয়োগবিধি চেয়ে ফিরতি চিঠি দেয়া হয়। মাউশি থেকে তার জবাব পাওয়া গেছে। এখন এ নিয়ে কাজ চলছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সিনিয়র সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেয়ার একটি প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির কাছে গেছে। এসব পদ প্রথম শ্রেণীর হওয়ায় পিএসসির মাধ্যমে পদোন্নতি দিতে হবে। কিন্তু অনেকেরই যোগ্যতা পূরণ হচ্ছে না। এ কারণে শর্ত প্রমার্জনের জন্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। ফাইল বঙ্গভবন থেকে ফিরলে পরবর্তী প্রক্রিয়া নিতে তা পিএসসিতে পাঠানো হবে।

জানা গেছে, সারা দেশে বর্তমানে ৩৩৩টি সরকারি হাইস্কুল আছে। এতে সহকারী শিক্ষকের পদ আছে ১০ হাজার ৬টি। এর মধ্যে ১ হাজার ৭০৩টি পদই শূন্য। প্রধান শিক্ষকের পদ আছে মাত্র ৩২৪টি। বাকি ৯টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হয়নি। এই ৩২৪টির মধ্যে ৮৪টি প্রধান শিক্ষকের পদ খালি আছে। আর সহকারী প্রধান শিক্ষকের ৪৫৭টি পদের মধ্যে ৩৬৭টি খালি আছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাউশির একাধিক কর্মকর্তা জানান, সরকারি হাইস্কুলে চার বছর ধরে কোনো শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে না। ২০১২ সালের মে মাসে সরকার এসব স্কুলের সহকারী শিক্ষকের পদ তৃতীয় শ্রেণী থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণীর পদে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। এ বাস্তবতায় এসব শিক্ষক নিয়োগে নতুন নিয়োগবিধি প্রয়োজন হয়ে পড়ে। কিন্তু নিয়োগবিধি চূড়ান্ত করে এখনও পিএসসিকে দেয়া যায়নি। একটি নিয়োগবিধির খসড়া করে তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলেও পড়ে আছে সচিব কমিটিতে। ফলে পিএসসি নতুন কোনো নিয়োগ প্রক্রিয়া নিতে পারেনি। এ কারণে দিন দিন সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদ সংখ্যা বাড়ছে।

মাউশি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৩৩৩টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ হাজার ৬টি পদ আছে। এর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে ১ হাজার ৭০৩টি সহকারী শিক্ষকের পদই ফাঁকা। শূন্যপদের মধ্যে বাংলায় ২৭২, ইংরেজিতে ২৭২ ও গণিতে ২০৪টি আছে। ইসলাম ধর্মে ফাঁকা ১৩৯টি পদ। সামাজিক বিজ্ঞান, ভৌতবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষায় ১৩৬টি করে পদ খালি। ভূগোল, কৃষিশিক্ষা এবং চারু ও কারুকলা বিষয়ের ৬৮টি করে পদ শূন্য।

রাজধানীর একটি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, অন্যান্য বিষয়ের ক্লাস যে কোনো শিক্ষককে দিয়ে নেয়া যায়। কিন্তু পদ শূন্য থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে।

জানা যায়, মাউশির পাঠানো প্রস্তাবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু কোনো ক্যাডারের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হননি, এমন প্রার্থীদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করার কথা বলা হয়েছে। কয়েক বছর ধরে এ ধরনের প্রার্থীদের বিভিন্ন নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণীর চাকরিতে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।

ত্রয়োদশ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার মৌখিক পরিক্ষার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ



ত্রয়োদশ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ভাইভায় ( মৌখিক) কত নম্বর থাকবে, কারা ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত থাকবেন ইত্যাদি বিষয় চূড়ান্ত হবে আজ মঙ্গলবার (১২) এপ্রিল।
শিক্ষামন্ত্রণালয়ে আজ এক সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন সভায় উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, সদস্যবর্গসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
আগামী মাসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
বিস্তারিত আসছে…

নতুন নিয়মে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ শুরু এপ্রিলে








নতুন নিয়মে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে এপ্রিল থেকে। পুরনো বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদধারীদের মেধার ভিত্তিতে ও অন্যদের নতুন নিয়মে নিয়োগ দেয়া হবে।
রোববার সচিবালয়ে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ও টেলিটকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। গত ১১ নভেম্বর এক পরিপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রেখেছে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, এত দিন দেশের ৩৬ হাজার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হতো। এখন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আদলে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার। নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষক নিয়োগে সব কাজ শেষ পর্যায়ে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উপযুক্ত, দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগ দিলে স্বচ্ছতা থাকে, ত্রুটি থাকার সুযোগ নেই। যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।
নাহিদ বলেন, আগে আমরা পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষকদের সনদ দিতাম, ম্যানেজিং কমিটি সেই সনদ দেখে নিয়োগ দিত। এ ধরনের সনদপ্রাপ্ত অনেক শিক্ষক এখনো রয়ে গেছেন। এদের মধ্য থেকে মেধারভিত্তিতে বাছাই করে প্রাথমিক নিয়োগ দেয়া হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী তিন-চার মাস আগে জেনে যাব যে ওই মাস থেকে কয়টি পদ খালি হবে। যাদের সনদ আছে প্রথমে তাদের মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে। তিনি বলেন, যে এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক সেই এলাকায় দেয়ার চেষ্টা করা হবে। সেই এলাকার না হলে পাশের এলাকার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।



টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ ও এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান এ এম এম আজহার চুক্তিতে সই করেন।
চুক্তি স্বার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, পাবলিক পরীার ফল প্রকাশসহ শিা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে টেলিটক আগে থেকেই জড়িত। টেলিটকে গ্রাহক বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আমরা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে চাই। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান টেলিটকের পাশে দাঁড়ালে উভয় প্রতিষ্ঠানই লাভবান হবে। এ সময় শিাসচিব সোহরাব হোসাইন ছাড়াও এনটিআরসিএ, শিা মন্ত্রণালয় ও টেলিটকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগে নতুন নিয়ম করে গত ৩০ ডিসেম্বর পরিপত্র জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই পরিপত্র অনুযায়ী, পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষক নিয়োগের চাহিদাপত্র উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পাঠাবে। প্রতি বছর ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ইউএনও সব প্রতিষ্ঠানের চাহিদাপত্র একীভূত করে তা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শিক্ষকদের চাহিদাপত্র এনটিআরসিতে জমা দেবেন।

এনটিআরসিএ প্রতি বছর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়ে চাহিদা অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক জাতীয়, বিভাগ, জেলা ও উপজেলাওয়ারি মেধাক্রম করে ফল ঘোষণা করবে। এরপর শিক্ষকদের পছন্দ অনুযায়ী এনটিআরসিএ মেধাক্রম ধরে উপজেলাভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের প্রার্থী তালিকা করবে। উপজেলায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে জেলার তালিকা এবং তাতেও প্রার্থী না মিললে বিভাগীয় তালিকাকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। এর আগে যারা এনটিআরসিএ পরীক্ষায় পাস করেছেন তাদের মেধাক্রম প্রকাশ করেছে সরকার।


ব্রিটিশ কাউন্সিল, স্কয়ার এবং বাংলালিংকের ৫ টি আকর্ষণীয় চাকরির সার্কুলার দেখুন এক ক্লিকে






Job at SQUARE Toiletries Ltd.,Job Title: Regional Sales Coordinator
Company Name: SQUARE Toiletries Ltd.
Job Title: Regional Sales Coordinator
Job Type: Full Time
Job Category: Sales/Marketing
Deadline: 27 Mar,2016
Educational Qualification:
Graduate in any discipline.
Experience:
Please see the image file for details.
Requirement:
Please see the image file for details.
Other Opportunities:
Please see the image file for details.
Instruction :
Please see the image file for details.
Job Detail:















Job at BRITISH COUNCIL
Company Name: British Council
Job Title: Executive Manager to Country Director
Job Type: Full Time
Job Category: NGO/Development
Deadline: 03 Apr,2016
Educational Qualification:
university graduation in any discipline
Requirement:
And will have the following skills and experience:
  • excellent English speaking and writing skills
  • sound computer skills in Microsoft Outlook, Word, Excel, and PowerPoint
  • minimum three years’ of related experience in an international organisation
  • ability to plan and organise events.
  • excellent administration skills.
  • university graduation in any discipline
Instruction :
Only shortlisted applicants will be contacted and called for interview. We will only shortlist applications submitted on a British Council application form submitted electronically through jobs portal. No hard copies of the application will be accepted.
To apply, please click on the following link that will take you to the Jobs portal of British Council


Closing date: 03 April 2016
The British Council is committed to a policy of equal opportunity and we are keen to reflect diversity at every level within the organisation. We welcome applications from all sections of the community.
The British Council believes that all children have potential and that every child matters – everywhere in the world. The British Council affirms the position that all children have the right to be protected from all forms of abuse as set out in article 19, UNCRC, 1989.
Job Detail:
Executive Manager to Country Director
The British Council is the United Kingdom’s international organisation for educational opportunities and cultural relations. We operate in 110 countries. Our purpose is to create international opportunities for the people of the UK and other countries and build trust between them worldwide.
Purpose of job
To provide high quality management and administrative support to the Director and country Senior Leadership Team. The position works closely with the Director in a very diverse, fast paced team environment and is required to take a whole operation approach in carrying out the responsibilities. To lead on Information Management for the Directorate.
British Council invites applications for the position of Executive Manager to Country Director.
The successful applicant will be expected to:
Work as liaison point with British High Commission (BHC) and DFID. Develop and manage effective relationship with BHC, DFID and other relevant contacts.
Schedule and organise Bangladesh Senior Leadership Team (BSLT) and all-staff meetings as well as British Council Local Staff Association (BCLSA) meetings with the Director.
Lead, ensure and deliver effective coordination of Information Governance Risk Management (IGRM) for Bangladesh to aid a consistent organisational approach to IGRM. Lead IGRM Working Group.
Ensure Bangladesh Intranet site is kept up-to-date and liaise with Marcomms team for posting of relevant updates in the Bulletin
Manage high level events and visit programmes on behalf of Director. Prepare visit/event programmes, plan and organise/arrange logistics, deal with vendors and process POs as necessary. Work with Marcomms team to ensure standards are in line with the British Council brand guidelines
Understand country and British Council strategy and maintain relationships and communications with high profile (T1) contacts on behalf of Director.
Work with all teams to develop a British Council Bangladesh contact database and ensure it remains up to date